শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২০ ইং, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ শুক্রবার | ৫ই জুন, ২০২০ ইং

২০ জনকে গুলি করে হত্যা, কে এই ক্রুসিয়াস?

রবিবার, ০৪ অগাস্ট ২০১৯ | ১০:৫১ এএম | 251 বার

২০ জনকে গুলি করে হত্যা, কে এই ক্রুসিয়াস?

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের এল পাসো শহরে প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস নামের এক বন্দুকধারীর গুলিতে ২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ২৬ জন। স্থানীয় সময় শনিবার (৩ আগস্ট) স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় সিয়েলো ভিস্তা শপিং মলে ওয়ালমার্টের একটি দোকানে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

সিসিটিভি ফুটেজে হামলাকারী একুশ বছরের ক্রুসিয়াসের ছবি পাওয়া যায়। তাতে দেখা গেছে, কালো টি-শার্ট পরে হামলা চালিয়েছেন তিনি। কানে প্রটেক্টর ও হাতে ছিল রাইফেল।

ঘটনার পরপরই ক্রুসিয়াস পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পালানো বা পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেননি। ধারণা করা হচ্ছে, শ্বেতাঙ্গ জাত্যভিমান ও বর্ণবিদ্বেষ থেকে এই অপরাধ সংঘটিত হয়।

সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস অঙ্গরাজ্যটির ডালাস শহরের অ্যালেন উপশহরের বাসিন্দা। এল পাসো থেকে যার দূরত্ব সাড়ে ৬০০ মাইল।

তারা আরও জানা যায়, ২০১৬ সালের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য ক্রুসিয়াস নিবন্ধিত হন কিন্তু কোন দলের সমর্থক তা জানা যায়নি।

এইটচ্যান নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা চার পৃষ্ঠার একটি ইশতেহারের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্পর্ক আছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। যেখানে উঠে এসেছে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ও বর্ণবাদী ধ্যানধারণা। এটি ধর্মান্ধ ও অ্যান্টি-সেমিটিক বার্তায় ভরপুর।

এই ইশতেহারে অভিবাসী ও হিস্পানিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলাকেও সমর্থন জানানো হয়।

ইশতেহারে বলা হয়, অভিবাসী ও প্রথম প্রজন্মের আমেরিকানদের কারণে স্থানীয়রা চাকরির সুযোগ হারাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতিকে দূষিত করার জন্য অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।

এল পেসো পুলিশ চিফ গ্রেগ অ্যালেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, হামলাকারীর কাছ থেকে একটি ইশতেহার পেয়েছেন যা এই ঘটনাকে সম্ভাব্য হেইট ক্রাইমের (বর্ণ বিদ্বেষ) সঙ্গে যুক্ত করে।

এদিকে ওই হামলার ঘটনার পর একটি অ্যাকাউন্ট সরিয়ে ফেলেছে টুইটার। যেখান থেকে পোস্ট করা একাধিক বন্দুকের একটি ছবিতে লাইক দেন ক্রুসিয়াস। বন্দুকগুলো এমনভাবে সাজানো ছিল যা দেখলেই বোঝা যায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম লেখা।

 


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  
ফেইসবুক পাতা